জুনে খাদ্যদ্রব্যের মূল্যস্ফীতি বেড়েছে

1434172775চলতি বছরের জুনে খাদ্যদ্রব্যের মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা বেড়েছে। পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে খাদ্যদ্রব্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ২৩ শতাংশ, যা গত মে মাসে ছিল ৩ দশমিক ৮১ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য পাওয়া গেছে৷ মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বিবিএস এর মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী। মন্ত্রী জানান, রোজা ও ঈদের কেনাকাটার প্রভাবে এই দাম বেড়েছে। তবে গত এক বছরের ব্যবধানে গড় মূল্যস্ফীতি কমেছে। বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী,  জুলাই ২০১৫ থেকে জুন ২০১৬ পর্যন্ত গড় মূলস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৯২ শতাংশ, যা আগের বছর একই সময পর্যন্ত এই গড় হার ছিল ৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ। বিবিএসের কর্মকর্তারা জানান, জুনে ডাল, মাংস, মাছ, শাক-সবজি, মসলা ও তেলের দাম আগের মাসের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। কেননা রোজা ও ঈদে মানুষের ভোগের হার বৃদ্ধি পায়। তথ্য অনুসারে, পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে জুনে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৫৩ শতাংশে, এর আগে মাসে (মে মাস) মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ। আর জুনে খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৫০ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৯২ শতাংশে। বিবিএস তথ্য অনুযায়ী, জুনে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৬৩ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ। খাদ্য পণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৪৪ শতাংশে, যা এর আগের মাসে ছিল ৩ দশমিক ০৮ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে জুন মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৭৯শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ৩২ শতাংশ। জুনে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক শূন্য ২৩ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ০৬ শতাংশ। খাদ্য পণ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ০৬ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৫০ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভূত পণ্যে জুনে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৪৮ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা সচিব তারিক-উল-ইসলাম, সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সিনিয়র সদস্য ড. শামসুল আলম প্রমুখ।