তৈমুর গ্রেপ্তার বা হয়রানির কোনো অভিযোগ দেননি : ডিসি

নিজের লোকদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে বলে নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার যে অভিযোগ করেছেন- সে প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোস্তাইন বিল্লাহ বলেছেন, তারা ওই প্রার্থীর কাছ থেকে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ পাননি।

আজ শনিবার বেলা ২টার দিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সিটি নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার গ্রেপ্তার ও হয়রানির বিষয়ে লিখিত বা মৌখিক কোনো অভিযোগ দেননি।

এ সময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ছিলেন পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম, ৬২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আল আমিন, র‌্যাব-১১ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তানভীর মাহমুদ, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ফাতেমা তুল জান্নাত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক তোফাজ্জল হোসেন প্রমুখ।

জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ্ বলেন, যারা নির্বাচন বানচাল করতে পারে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে, দাগি আসামি—তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রুটিন ওয়ার্ক হিসেবে তা করছে পুলিশ। ইতিমধ্যে সিটি এলাকার ২৭টি ওয়ার্ডের সব কেন্দ্রে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌঁছানো হয়েছে। ভোটের নিরাপত্তায় ৩৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশের ৭৫ ও র‌্যাবের ৬৫টি টিম মাঠে থাকবে। ১৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন থাকবে। আরও ছয় প্লাটুন বিজিবি চাওয়া হয়েছে। তারা ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করবে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। তিনি ভোটারদের নিবিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

জেলা প্রশাসক বলেন, নির্বাচনে আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে এ পর্যন্ত ২০০ মামলা হয়েছে। লক্ষাধিক টাকা জরিমানা করা হয়েছে ও একজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

হাতি প্রতীকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের যারা বিভিন্ন কাজের দায়িত্বে আছেন তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার। তিনি বলেন, ‘যাদের কাছে আমাদের অভিযোগ করার কথা তারাই নির্বাচনকে কলুষিত করছেন এবং সুষ্ঠু পরিবেশে বাধা সৃষ্টি করছেন। আমার বাসার সিসিটিভি ফুটেজ চেক করেন এবং যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদের দেখেন। দেখবেন তাদের বেছে বেছে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’