গাইবান্ধায় নির্বাচনী সহিংসতায় মামলায় নৌকা প্রার্থীর সমর্থকদের জড়ানোর পাঁয়তারা

হাসান হাবিব তালুকদার : গত ২০২১ সালের ১৬ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত গাইবান্ধা পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষে শহরের কুঠিপাড়া এলাকায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে এলাকার কতিপয় লোকের সহিংস ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার পরের দিন ১৭ জানুয়ারি দুটি মামলা হয়। সে সময় স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী রেল ইঞ্জিন প্রতীকের আনোয়ারুল হাসান সাহিব ও তার কর্মী সমর্থক ৪৯ জনকে আসামি করা হয়। কিন্তু মামলা দায়েরের দীর্ঘ এক বছরের বেশী সময় পর এজাহার নামীয় আসামিদের বাদ দিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী সাবেক মেয়র অ্যাড. শাহ মাসুদ জাহাঙ্গীর কবীর মিলনের নৌকা প্রতীকের পক্ষে কাজ করা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মীদের নাম অভিযোগপত্রে নতুন করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এতে শহর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খান মো. সাইদ হোসেন জসিম, জেলা যুবলীগ নেতা আমির হোসেন সোহেল, শাহীন ও রুবেল এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম, ৯নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আলেপ মিয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রনি মিয়া, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য আপেল মিয়া সহ ৩৪ জনের নামে অভিযোগপত্র দেয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে।

বেআইনীভাবে হয়রানী ও রাজনীতিকভাবে নেতাকর্মীদের হেয় প্রতিপন্ন করার প্রতিবাদে ১৯মে বৃহস্পতিবার গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছে জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ। জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. রবিউল হাসান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের মোস্তাক আহমেদ রঞ্জু, শহর আওয়ামীলীগের ৭নং ওয়ার্ড সভাপতি সাইফুল ইসলাম হিরু, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ, ২নং ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক শাকির হায়দার (পিয়াশ) প্রমুখ।

পরে নেতাকর্মীরা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে গিয়ে একই দাবিতে তাঁর কাছে স্মারকলিপি দেন। এর আগে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে একটি বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল বের করা হয়।